শুক্রবার, ২৬ Jun ২০২৬, ০৯:২৩ অপরাহ্ন

দৃষ্টি দিন:
সম্মানিত পাঠক, আপনাদের স্বাগত জানাচ্ছি। প্রতিমুহূর্তের সংবাদ জানতে ভিজিট করুন -www.coxsbazarvoice.com, আর নতুন নতুন ভিডিও পেতে সাবস্ক্রাইব করুন আমাদের ইউটিউব চ্যানেল Cox's Bazar Voice. ফেসবুক পেজে লাইক দিয়ে শেয়ার করুন এবং কমেন্ট করুন। ধন্যবাদ।

শীতার্ত মানুষের সন্ধানে মহেশখালী’র ইউএনও

আবুল বশর পারভেজ  মহেশখালী:

মহেশখালীতে শীত জেঁকে বসেছে। শীত বস্ত্রের অভাবে হেফজখানা, ছিন্নমূল, ভাসমান, অসহায় হতদরিদ্র শীতার্ত লোকজন কষ্ট করছে। শীতার্ত মানুষের কষ্ট লাঘবে হিম রাতে কম্বল নিয়ে তাদের মাঝে ছুটে যাচ্ছেন মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ ইয়াছিন। দিনের বেলায় দাপ্তরিক কাজ শেষে করে প্রকৃত শীতার্ত অসহায়দের মাঝে কম্বল বিতরণ করতে রাতের বেলায় ছুটে যান তিনি।

তারই ধারাবাহিকতায়, বৃহস্পতিবার (২২ ই ডিসেম্বর) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টা দিকে উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কুতুবজোম বটতলী আলী চাঁদ হেফজখানা, দৈলারপাড়া হেফজখানা, আল্লামা মোহাম্মদ ফোরকান (রাঃ) হেফজখানা, লাতুয়ার ডেইল মারকাজুল উলুম বালক ও হাফসা বিনতে উমর রা. বালিকা মাদরাসা, হযরত শাহ জালাল  রহঃ হেফজখানা, আয়েশা ছিদ্দিকা বালিকা মাদ্রাসা, হযরত গোলাল ফকির হেফজখানা ও ছোট মহেশখালী মহিউস সুন্নাহ মাদ্রাসার হেফজখানা শিশু-কিশোরদের মাঝে মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহার শীতবস্ত্র পৌঁছে দেন ইউএনও।

এসময় তার সাথে ছিলেন মহেশখালী সহকারি কমিশনার (ভূমি) এ এফ এম শামীম, উপজেলা সংশ্লিষ্ট দপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও মহেশখালী প্রেসক্লাবের সভাপতি আবুল বশর পারভেজ।

কনকন শীতে শীতবস্ত্র পেয়ে সৃষ্টিকর্তা কাছে প্রধানমন্ত্রী এবং ইউএনও’র দীর্ঘায়ু কামনা করে দোয়া করেন হেফজখানার শিক্ষার্থীরা।

মহেশখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, গত কয়েক দিন ধরে শীত পড়ছে। এই শীতে ছিন্নমূল অসহায় যারা রয়েছেন তারা খুবই কষ্ট করছেন। সরকারের নির্দেশনা অনুযায়ী মহেশখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় ছুটে গিয়ে শীতার্ত লোকজনের মাঝে কম্বল বিতরণ করা হয়েছে। কম্বল বিতরণ অব্যাহত থাকবে বলে জানায়।

উল্লেখ্য, এর আগে উপজেলার বিভিন্ন স্থানে গভীর রাতে শীতার্ত হতদরিদ্র মানুষের মাঝে শীতবস্ত্র বিতরণ করে মানবিক ইউএনও হিসেবে সুনাম কুড়ান মোহাম্মদ ইয়াছিন।

ভয়েস/জেইউ।

Please Share This Post in Your Social Media

© All rights reserved © 2023
Developed by : JM IT SOLUTION